নড়াইলের কালিয়ায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের পর আটকে রেখে দলবেধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুই ধর্ষককে গ্রেফতার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুন) রাতে উপজেলার বুড়িখালি গ্রামে ওই ঘটনার ৬ দিন পর জানাজানি হলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে হেফাজতে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- বুড়িখালি গ্রামের গোলাম রসুল শেখের ছেলে নূর মহম্মাদ শেখ (১৯) ও লাভলু মোল্যার ছেলে আশিক মোল্যা (২০)। এর আগে, গত ২৮ মে রাতে ওই মাদ্রাসাছাত্রী আত্মীয়ের বাড়িতে এক অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ মে রাত ১১ টার দিকে আত্মীয়ের বাড়িতে সুন্নাতে খৎনার অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় উপজেলার বুড়িখালি গ্রামের গোলাম রসুল শেখের ছেলে নূর মহম্মাদ শেখ (১৯), লাভলু মোল্যার ছেলে আশিক মোল্যা (২০) ও শহীদুল গাজীর ছেলে কালু গাজী (২১)। তাকে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী নবগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং তা মুঠোফোনে ধারণ করে। প্রথমে স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হয়।
পরে অভিযুক্ত নূর মহম্মাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার মুঠোফোনে ধারণ করা ধর্ষণের ছবি ছড়িয়ে দিলে ঘটনাটি ব্যাপক জানাজানি হয়। এ ঘটনা জানতে পেরে কালিয়া থানা পুলিশ গত বৃহস্পতিরার রাতে বুড়িখালি গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে শুক্রবার (৩ জুন) দুপুরে ওই তিন যুবককে আসামি করে কালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত অপর আসামি পলাতক রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি,তদন্ত) রতনুজ্জামান বলেন, গ্রেফতারকৃতদের নড়াইল আদালতে ও ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আর মামলার বাকি আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।











