ইউটিউবে ব্যান হওয়া আর্মেনিয় সন্ত্রাসী সংস্থা বিরুদ্ধ তুর্কী যোগাযোগ মন্ত্রী ফখরুদ্দিন আলতুনের বক্তব্য প্রচার করবে তুরস্কের স্থানীয় ৫০টি চ্যানেল।
শুক্রবার (২ জুলাই) এসোসিয়েশন অফ আনাতলিয়ান পাবলিশার্স এওয়াইডি এক বিবৃতিতে একথা জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সন্ত্রাসী সংস্থাগুলোর কুটিল ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোর মুসলিম বিরুদ্ধ হিংসাত্মক কথাবার্তা এড়িয়ে যাওয়া এখন জাতীয় নিরাপত্তা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো আর্মেনিয়ার বেলায় আর্মেনিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর গুণকীর্তন করছে যারা তুরস্কের কূটনীতিকদের শহীদ করেছিল। আর আমাদের বেলায় তারা সেন্সরশিপের চর্চা করা শুরু করল-!
এওয়াইডির সভাপতি সিনান বুরহান বলেন, অন্যান্য ফিল্ডের মতো মিডিয়া ও কমিউনিকেশন ফিল্ডেরও স্থানীয় ও জাতীয় প্লাটফর্মগুলো আমাদের প্রয়োজন। এসোসিয়েশন অফ আনাতলিয়ান পাবলিশার্স হিসেবে আমরা আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো।
ইউটিউব কর্তৃক বক্তৃতার ভিডিও ব্যান হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার ফখরুদ্দিন আলতুন এক টুইট বার্তায় বলেছিলেন, ‘শহীদ কূটনীতিক প্রদর্শনীতে’ আমার দেওয়া বক্তব্য ইউটিউব সেন্সরশীপের কবলে পড়ে গিয়েছে। আমার বক্তব্যে হিংসাত্মক বক্তৃতার উপাদান রয়েছে বলে মনে করছে তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল দা মারট্যির্ড ডিপ্লোমেট এক্সিবিশন বা শহীদ কূটনীতিক প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে তুর্কী যোগাযোগ মন্ত্রী ফখরুদ্দিন আলতুন একটি বক্তব্য দেন। যা ইস্তাম্বুলের সিরকেসি স্টেশন ও আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রদর্শনীতে একযোগে প্রচারিত হয়েছিলো।
তিনি তার বক্তব্যকে ১৯৭৩ থেকে ১৯৮৪ সনের মাঝামাঝি সময়ে নিজেদের উপর বিভিন্ন আর্মেনিয় সন্ত্রাসী দলের হামলা ও হুমকি সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করে যাওয়ায় প্রাণ হারানো শহীদ কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছিলেন বলে জানা যায়।
সূত্র: আনাদোলু।












