সিরিয়ার সুন্নি মুসলিম গণহত্যার খলনায়ক বাশার আল আসাদ সরকার ও তার মিত্রশক্তি ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী দলগুলোর হামলায় মৃত্যুবরণ করেছে ৮ ও আহত হয়েছে ৯ জন।
শনিবার (৩ জুলাই) দেশটির ইদলিব প্রদেশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হোয়াইট হেলমেট সিভিল ডিফেন্স গ্রুপের মিডিয়া প্রধান হাসসান আল আহমাদ জানান, ডি-এস্কেলশন জোনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে আজ আসাদ বাহিনী ও তার সন্ত্রাসী মিত্ররা দক্ষিণ ইদলিবের মাসহুন, ইবলিন ও বালয়ুন গ্রামে গোলাগুলি করেছে।তাদের নৃশংস হামলায় মাসহুনে ৫ জন, ইবলিনে ২ জন এবং বালয়ুনে ১ জন নিহত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ডি-এস্কেলেশন জোনে আক্রমণের মাত্রা অধিক হারে বেড়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, সিরিয়ায় ২০১১ সালে গণতন্ত্রপন্থীদের অপ্রত্যাশিত তুমুল বিপ্লব দমিয়ে দিতে রক্তখেকো আসাদ সরকার তার বাহিনীকে ক্র্যাকডাউনের নির্দেশ দেয়। ফলে ভয়ংকর গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দেশটি। এতে সুন্নি মুসলিমদের ওপর গণহত্যা পরিচালনা করে ইরান সমর্থিত আসাদ সরকার ও তাদের সন্ত্রাসী মিত্ররা।
গত এক দশকের গৃহযুদ্ধে প্রায় ৫ লক্ষ লোক মারা যায় এবং কোটি কোটি সিরিয়ান নাগরিক ঘর-বাড়ি হারান। ২০২০ সালের মার্চে তুরস্কের প্রচেষ্টায় স্বৈরাচারী আসাদ সরকার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে যেতে সম্মত হয়। তুরস্ক-রাশিয়া চুক্তিতে বেশ কয়েকটি ডি-এস্কেলেশন জোন নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে ইদলিব অন্যতম।
ডি- এস্কেলেশন জোন নির্ধারণ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদিত হলেও খুনি আসাদ ও তার বাহিনী কোনো তোয়াক্কা না করেই বিশেষ জোনে দফায় দফায় হামলা পরিচালনা করে সুন্নি মুসলিম গণহত্যা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।












