গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) সামরিক সদস্যবাহী একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই জেনারেলসহ ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন সামরিক সদস্য এবং চারজন বেসামরিক ব্যক্তি রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কোয়াঙ্গো প্রদেশের রাজধানী কেঙ্গেতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিমানটি কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল। পথে বিমানটি সমস্যায় পড়লে পাইলট কেঙ্গেতে অবতরণের জন্য জায়গা খুঁজতে থাকেন। কয়েকবার শহরের ওপর দিয়ে চক্কর দেওয়ার পর বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি জানান, বিমানটি কেঙ্গেতে অবতরণের চেষ্টা করলেও সেখানে উপযুক্ত অবতরণক্ষেত্র না থাকায় শেষ পর্যন্ত একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার পর বিমানটি আগুনে পুড়ে যায়।
কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী (এফএআরডিসি) জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুই লেফটেন্যান্ট জেনারেল রয়েছেন। তারা হলেন সামরিক উচ্চ আদালতের প্রথম সভাপতি জোসেফ মুতোম্বো কাটালায়ি এবং এফএআরডিসির সামরিক অডিটর জেনারেল লুসিয়েন-রেনে লিকুলিয়া বাকুমি। তাদের সঙ্গে সামরিক প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে ১৩ জন নিহতের তথ্য জানানো হলেও পরে কোয়াঙ্গো প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে উন্নীত করে। তাদের মধ্যে ১৩ জন সামরিক সদস্য এবং চারজন বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন। নিহতদের মরদেহ আগুন নেভার পর উদ্ধার করা হয়।
দুর্ঘটনায় বেশির ভাগ মরদেহ আগুনে পুড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে পাইলটের মরদেহ বিমানের বাইরে পাওয়া যায় এবং অন্য মরদেহগুলোর কয়েকটি শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি নির্ধারণে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনাস্থল নিরাপদ রাখা, প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষণ এবং নিহতদের পরিচয় শনাক্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র : আল জাজিরা











