spot_img
spot_img

পাটওয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার মির্জা আব্বাস: রাশেদ খাঁন

মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) কোনো স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তিগত আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

তিনি বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক) কোনো স্বাভাবিক দুর্ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েই তিনি এ পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, উন্নত চিকিৎসার পরও মির্জা আব্বাস এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে কথা বলতে গিয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা পুরো সংসদকে স্তব্ধ করে দেয়। মির্জা আব্বাস বর্তমানে নিজে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না। পড়ে যাওয়ার সময়ও তার কথা অস্পষ্ট শোনাচ্ছে এবং একটি হাত নাড়াতেও তার তীব্র কষ্ট হচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই বয়সে অনেক ছোট নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ সহ্য করতে হয়েছে মির্জা আব্বাসকে। নির্বাচনের পরও তিনি সেই মানসিক নিপীড়ন থেকে রেহাই পাননি। এমনকি তিনি যখন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন তার প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং বা আঘাত করার মতো কুরুচিপূর্ণ কর্মকাণ্ড করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সুসংগঠিত করা এবং বিগত ১৬ বছর বহুবার কারাবরণকারী এই প্রবীণ নেতাকে ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ভিত্তিহীন অপবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং হাসপাতালে তার ওপর হেনস্তা চালানো হয়েছিল।

রাশেদ খাঁন বলেন, দীর্ঘদিনের তীব্র মানসিক যন্ত্রণায় ভুগে শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস স্ট্রোকের কবলে পড়েন এবং আজকের এই করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। ফলে তার এই অসুস্থতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত মানসিক অত্যাচারেরই প্রত্যক্ষ পরিণতি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ