বৃহস্পতিবার | ১৫ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

যে কারণে মার্কিনীদের উচিৎ শিক্ষা দিতে চান এরদোগান

তুরস্কের আসন্ন পার্লামেন্ট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে দৌড়ঝাঁপ বাড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেফরি ফ্লেক দেশটির প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) চেয়ারম্যান কামাল কিলিচদারোগলুর সাথে বৈঠক করেছেন।

বৈঠক পরবর্তী এক টুইটার বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তুরস্কের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পারস্পারিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

তবে বিরোধী দলগুলোর সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠককে ভালোভাবে নেয়নি তুরস্ক সরকার। তারা বিষয়টিকে অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ হিসবে দেখছে।

এই বিষয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেন, “মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জন্য আমাদের দরজা আপাতত বন্ধ। এখানে ফিরে আসার কোন সুযোগ তার নেই। আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি উচিৎ শিক্ষা দেওয়া হবে।”

গত রবিবার তুরস্কের জাতীয়তাবাদী ‘গ্রে উইলভস’ দলের এক অনুষ্ঠানে তিনি এই হুংকার দেন।

এরদোগান বলেন, “এটা অপমানজনক যে আপনি একজন রাষ্ট্রদূত, অথচ নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে এখনো অবহিত নন। আপনি এখনো জানেন না নিজের দায়িত্ব কিভাবে পালন করতে হয়। কোন রাজনৈতিক দলের নেতার সাথে নয়, আপনার উচিৎ রাষ্ট্র প্রধানের সাথে সম্পর্ক করা।”

উল্লেখ্য, আগামী ১৪ মে তুরস্কে পার্লামেন্ট ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন জুড়ে তুরস্কের বিরোধী দল গুলোর প্রতি ওয়াশিংটনের পরোক্ষ সমর্থন প্রতিলক্ষিত হচ্ছে। যার দরুন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আঙ্কারা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। তৃতীয় মেয়াদে এরদোগানকে প্রেসিডেন্ট হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ছয় দলীয় জোট গড়েছে বিরোধীরা।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর ও ডেইলি সাবাহ

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ