গাজ্জা উপত্যকায় অ্যাম্বুলেন্সের উপর ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা ওআইসি।
নিন্দার পাশাপাশি এটিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে জবাবদিহিতা ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করা এই সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে ওআইসি জানিয়েছে, “গাজ্জা উপত্যকায় অবস্থিত আল শিফা হাসপাতালের সামনে রাখা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে ইসরাইলি বাহিনীর বোমা হামলার মত এমন জঘন্য কাজের নিন্দা জানায় ওআইসি। বর্বরোচিত এ হামলায় নির্দোষ বেসামরিক নাগরিকরা নিহত হয়েছে, যার বেশিরভাগই ছিল আহত, রুগ্ন, স্বাস্থ্যকর্মী, নারী এবং শিশু।”
প্রসঙ্গত; গত শুক্রবার (৩ নভেম্বর) আল শিফা হাসপাতালের সামনে রাখা বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সের উপর এই জঘন্য বোমা-হামলা চালানো হয়। যেখানে ১৩ জন ফিলিস্তিনি শহীদ ও কমপক্ষে ২৬ জন আহত হয়। অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরে আহত রোগীদের চিকিৎসার জন্য মিশরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, “এইভাবে সরাসরি হামলা চালানো, বিদ্যুৎ সংকট, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং প্রয়োজনীয় জ্বালানীর ঘাটতির ফলে হাসপাতালগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
বিবৃতিতে, তাৎক্ষণিকভাবে গাজ্জায় সামরিক আগ্রাসন বন্ধ ও ফিলিস্তিনিদের জন্য আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রদানের কথা বলা হয়েছে।
এছাড়াও, গাজা উপত্যকায় চিকিৎসা, ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা যেন নির্বিঘ্নে পৌঁছাতে পারে সে বিষয়ের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











