spot_img
spot_img

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামকে “মাদকপ্রবণ এলাকা” ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম দিয়ে প্রতিবেশী দুটি দেশ থেকে দেশে ঢুকছে মাদক। তাই মাদকের বিস্তার রোধে দেশে প্রথমবারের মতো সরকার এ দুই জেলাকে “মাদকপ্রবণ এলাকা” ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে প্রায় তিন কিলোমিটার প্রস্থের নাফ নদ। ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। এ নদ পেরিয়ে আগে শুধু ইয়াবা ঢুকলেও এখন পাল্লা দিয়ে আসছে আইসের চালান। পরে সেটি চট্টগ্রামে খালাস হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে।

যেসব কারণ বিবেচনায় নিয়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামকে মাদকপ্রবণ এলাকা ঘোষণা করা হচ্ছে তার কিছু মানদণ্ড ও সূচক তৈরি করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

এর মধ্যে রয়েছে, ওই এলাকায় মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের সংখ্যা, মামলা, মাদক বিক্রির স্পট, মাদকের প্রাপ্যতা, মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রবণতা ও রুটসহ প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক চোরাচালানের প্রবণতা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়) জাফরুল্ল্যাহ কাজল সম্প্রতি গণমাধ্যমকে সংবাদকে বলেন, যত আসামি ধরা হয় তারা একই কথা বলেন, হয় টেকনাফ বা কক্সবাজার; না হয় চট্টগ্রাম থেকে তারা মাদক আনছেন। যখনই মাদকপ্রবণ এলাকা ঘোষিত হবে, সরকার ঘোষণা করবে। তখন কিন্তু ওই এলাকার ওপর ফোকাসটা বেশি হবে; বিজিবি ও র‌্যাবসহ যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তাদের সবার ফোকাসে থাকবে। এটি করার কারণে সরকার মনে করছে সবার নজরদারি বাড়বে। মিয়ানমার থেকে মাদক আসা বন্ধ হবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ