বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন গণতন্ত্রের টর্চ বিয়ারার বা পথপ্রদর্শক বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের যে মশাল শহীদ জিয়ার হাতে শুরু হয়েছিল, তা দীর্ঘ সময় বহন করেছেন খালেদা জিয়া। এখন সেই মশাল তারেক রহমানের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন গণতন্ত্রের টর্চ বিয়ারার হচ্ছেন তারেক রহমান।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
খালেদা জিয়াকে আপসহীন নেত্রী উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, যারা পালিয়েছে, তারা আপস করেছে। যারা বর্তমানে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তাদেরও তিনি মন্তব্য শুনেছেন। ওয়ান–ইলেভেনের সময় তাদের বক্তব্য সেই ঘটনাকে সমর্থন করেছিল, তবে তারা ওয়ান–ইলেভেনের সময় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। একমাত্র খালেদা জিয়া কোনো ধরনের আপস করেননি এবং পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া তার রাজনৈতিক জীবনের খুব অল্প সময়ই ক্ষমতায় ছিলেন। জীবনের বড় অংশ কেটেছে আন্দোলন–সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে। স্বৈরাচারের সঙ্গে আপস না করে তিনি সারা জীবন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই করেছেন।
নারীর শিক্ষা, দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা, উপবৃত্তি, খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি, কৃষক–শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে উল্লেখ করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আগামী দিনের বাংলাদেশ নিয়ে তারেক রহমানের ঘোষিত রূপরেখার কথা তুলে ধরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফেরার পাশাপাশি অর্থনীতিকেও গণতান্ত্রিক করতে হবে; যাতে উন্নয়নের সুফল প্রত্যেক নাগরিকের কাছে পৌঁছে যায়।
শৃঙ্খলা, মানদণ্ড ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি উল্লেখ করে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরামের এই নেতা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন, খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও তারেক রহমানের রূপরেখা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।











