spot_img
spot_imgspot_img

জাতীয় ঈদগাহে ছাতা ছাড়া অন্যকিছু আনা যাবে না

ঈদের নামাজ নিয়ে রাজধানীবাসীর উদ্দেশে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, যে যেখানে খুশি নামাজ পড়তে যান, আপনাদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব মহানগর পুলিশের। তবে বৃষ্টির দিন যেহেতু, তাই ঈদগাহে আমরা ছাতা ছাড়া অন্যকিছু অ্যালাও করবো না।

শুক্রবার (৮ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ মাঠে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঈদের জামাতে কেউ যেন মোবাইল ডিভাইস সঙ্গে না আনেন, আনলেও যেন হাতে রাখেন। অনেকেই নামাজ শেষে তার মোবাইল খুঁজে পান না। ঈদ জামাতে মুসল্লিদের মধ্যে অনেকেই অসৎ উদ্দেশে আসেন, যাদের আলাদা করা কঠিন। এছাড়া সঙ্গে অন্য কোনো ব্যাগ বহন করা যাবে না।

তিনি বলেন, তিনদিন আগেও দেশে কোভিডে একদিনে ১২ জন মারা গেছেন। তাই কোভিড আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার অবস্থায় নেই। যারা ঈদগাহে আসবেন ন্যূনতম যেন মাস্ক পরা থাকে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ রাজধানীর ঈদ জামাতগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহায় গরুর হাট ব্যবস্থাপনা আর মানুষের নির্বিঘ্ন যাতায়াত স্বাভাবিক রাখা বড় দুটি কাজ। হাটের অবস্থা এখন পর্যন্ত ভালো। ছিনতাই-মলম বা অজ্ঞানপার্টির কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি।

শফিকুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে মূলত ঢাকার বাসিন্দাদের কোরবানির পশু কেনা শুরু হবে। এবার অনলাইনে প্রচুর পশু বেচাকেনা হচ্ছে, তাই হাটে ভিড় কম। যারা হাটে যাবেন আপনাদের নিরাপত্তায় পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। অতিরিক্ত হাসিল যেন আদায় করতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পশুর হাটে জাল টাকা ঠেকাতে আমাদের বিভিন্ন ইউনিট অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের জাল টাকা শনাক্তের মেশিন দিয়েছে। হাটে যে কোনো মানুষকে সন্দেহ হলে আপনারা আমাদের কাছ থেকে যাচাই করে নেবেন।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ঈদে অনেকে বাসাবাড়ি ফাঁকা রেখে গ্রামে চলে যান। তাই যাবার সময় নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে যাবেন। মূল্যবান সম্পদ নিরাপদ হেফাজতে রেখে যাবেন। নিজ থেকে নিরাপত্তা বিধান করে রাখাই উত্তম। সারা পৃথিবীতে মূল্যবান সম্পদ যেমন স্বর্ণ-টাকা ব্যাংকে রাখা হয়। তাই এসব মূল্যবান সম্পদ থাকলে নিরাপদ স্থানে রেখে যাবেন।

তিনি বলেন, আবাসিক এলাকায় প্রোগ্রাম করে পুলিশ দেওয়া আছে। সব ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের পুলিশের পক্ষ থেকে ব্রিফ করা হয়েছে।

মার্কেট-ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ দিন আগেই মিটিং করে ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। সাধারণত এসময়ে স্বর্ণের মার্কেটে চুরির ঘটনা ঘটে, এতে স্বর্ণের মার্কেটের নিরাপত্তারক্ষীরাই বেশিরভাগ সময় জড়িত থাকে। তাই মহানগর এলাকায় প্রতিটি স্বর্ণের মার্কেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রত্যেকের ডাটাবেজ পুলিশের কাছে আছে। কেউ অপকর্ম করে পালিয়ে যেতে পারবে না।

সূত্র: ডিএমপি

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ