তামাক ও নেশাজাত দ্রব্য মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলানা আমির খান মুত্তাকী।
তিনি বলেন, সব ধরণের তামাক ও নেশাজাত দ্রব্য চাই তা বিদেশ থেকে আসুক কিংবা পপি ব্যতীত দেশের অন্য কোনো উদ্ভিদ থেকে উৎপাদিত হোক না কেনো তা মানুষকে তাদের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। কেননা মাদক উৎপাদন করা যায় এমন সব উদ্ভিদই চরম ক্ষতিকর। ভয়ানক মাদকতা সৃষ্টি করতে সক্ষম। এগুলোর সবই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) মাদক বিরোধী অভিযান বিষয়ক হাইকমিশনের উদ্বোধনী বৈঠকে তিনি একথা বলেন।
মাওলানা মুত্তাকী আরো বলেন, মাদক চোরাকারবারিদের উপর আমাদের বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশেষত যারা বাজারে গোপনে মাদক বিক্রি করে। আফগান যুবকদের কাছে মাদক পৌঁছে দেয়। এসব ঠেকাতে আমাদের আরো কঠোরভাবে চেষ্টা চালাতে হবে। একে শুধু অভ্যন্তরীণ ইস্যু বিবেচনা করা ঠিক হবে না। কারণ, মাদক উৎপাদন ও পাচার আফগান জাতি, রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও শৃঙ্খলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে আমাদের সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। আফগানিস্তানে মাদক উৎপাদন ও চোরাচালান একটি আন্তর্জাতিক ইস্যু। যদিও আমরা বর্তমানে এটিকে প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। তবুও আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, এর প্রভাব পুরো বিশ্বে গিয়ে পড়ে।
ইমারাত সরকারের মাদক বিরোধী অভিযান বিষয়ক হাইকমিশন গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, অতিরিক্ত ক্ষতি রুখে দিতে ও এবিষয়ে জবাবদিহির জন্য মাদক বিরোধী হাইকমিশনকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
মাদক উৎপাদন ও পাচার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসলেও তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের মাদক বিরোধী অভিযান ও প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বরং এই সফলতা রক্ষায় অভিযান ও প্রচেষ্টা আরো জোরদার করা হবে বলে তিনি দৃঢ়তা ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী (রাজনৈতিক) ও মাদক বিরোধী অভিযান বিষয়ক হাইকমিশনের প্রধান মাওলানা আব্দুল কবির, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাওলানা ইয়াকুব মুজাহিদ, স্বররাষ্ট্র মন্ত্রী সিরাজুদ্দীন হক্কানী, জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী নূর জালাল জালালী, শ্রম ও সমাজ মন্ত্রী আব্দুল মান্নান ওমরী প্রমুখ।
সূত্র: আরটিএ










