স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের এডিস মশায় আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম। তারপরও মশকনিধন এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছে। মশকনিধন কার্যক্রম ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) আসছে বর্ষা মৌসুমে সারা দেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। সিটি করপোরেশন মেয়র, ওয়াসার কর্মকর্তা, কীটপতঙ্গ বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, এডিস মশা প্রতিরোধে আষাঢ় থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলে একটি করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। এছাড়া ডেঙ্গু রোগীর বাড়িতে পরিচালনা করা হবে বিশেষ অভিযান।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে খালগুলো পরিষ্কার নয়, জলাবদ্ধতাও বেশি থাকে। তাই এ অঞ্চলে মশার প্রাদুর্ভাব বেশি। তবে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে তাদের পর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতি রয়েছে বলে দাবি করেন মেয়র।











