সাভারের রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মনের (৩৬) লাশের ৬ টুকরা উদ্ধার করেছে র্যাব। গত ১৩ জুলাই থেকে নিখোঁজ এই কলেজ শিক্ষককে হত্যার পর লাশ টুকরা টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে জানান র্যাব। এ ঘটনার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে তারা।
সোমবার (৯ আগস্ট) সকালে মরদেহের খণ্ডিত বাকি অংশ উদ্ধারে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় অভিযান চলছে বলে নিশ্চিত করেছে র্যাব।
নিহত মিন্টু চন্দ্র বর্মন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের বাড়াইপাড়া গ্রামের শরত বর্মনের ছেলে।
র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গত ১৩ জুলাই আশুলিয়া থানায় ওই শিক্ষক নিখোঁজের জিডি করেন তার পরিবার। ওই ঘটনায় র্যাব পুলিশের পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে। নিখোঁজ ওই শিক্ষকের ৬ খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকারী মূলহোতাসহ তিনজন গ্রেফতার করা হয়েছে। মিন্টুর এক সহকর্মীসহ র্যাবের হাতে আটক তিনজনও র্যাবের অভিযান দলের সঙ্গে রয়েছেন।
র্যাব বলছে, মিন্টু বর্মণকে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরা করে স্কুলের মাঠে পুঁতে ফেলা হয়। দেহ থেকে মিন্টুর মাথা বিচ্ছিন্ন করে উত্তরায় একটি ডোবায় ফেলা দেওয়া হয়। ২৮ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন












