খেলাফত মজলিসের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মূলত ৯০ ভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিচয় বহন করে। এভাবে বিশ্বের ২৮টি মুসলিম দেশের সংবিধানেও রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে কতিপয় উগ্র-সেক্যুলার ও ধর্মহীন গোষ্ঠী কিছুদিন পর-পর রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের অন্যায্য দাবি তুলে আসছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আনিসুল হকের মত আওয়ামী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন মন্ত্রীর ইচ্ছাও উগ্র-সেক্যুলার গোষ্ঠীর মত। ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে
রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের সকল ষড়যন্ত্র তাওহীদি জনতা রুখে দিবে। আইনমন্ত্রীকে অবশ্যই তার বক্তব্য পরিহার করতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার চিন্তা ভাবনা হচ্ছে। আইনমন্ত্রীর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে খেলাফত মজলিস।
বিবিৃতে নেতৃদ্বয় আরো বলেন, সম্প্রতি ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রশ্নপত্রে যে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক প্রশ্ন করে মুসলিম সম্প্রদায়কে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে তা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। অবিলম্বে এর দায় নিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার ও প্রশ্নকর্তা প্রশান্ত কুমার পালসহ জড়িত সকল শিক্ষককে বরখাস্ত করতে হবে। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে বারবার এমন উস্কানী জনগণ সহ্য করবেনা।










