গাজ্জা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের নিকটে অবস্থিত একটি হাসপাতালের পাশেই বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার বাহিনী। এতে ১৯ জন ফিলিস্তিনি শাহাদাত বরণ করেছেন। একই সময় খান ইউনিস শহরে ভিন্ন আরেকটি আক্রমণে আরো ৪ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে বলে জানা গেছে। যার ফলে গাজ্জায় শহীদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫৬৯ জনে।
পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে এক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেই সঙ্গে নাবলুস শহরে ২ জন অবৈধ বসতি স্থাপনকারীকে গুলি করা হয়েছে। যার মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া জেনিন শহরে অভিযান চলাকালীন সময়ে বুলডোজার দিয়ে সেখানকার রাস্তা ধ্বংস করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
ইসরায়েলকে ‘যুদ্ধের আইন মেনে চলার’ আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটর (পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য) ক্রিস মারফি। পাশাপাশি তিনি বলেন, গাজায় বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা ‘অনেক বেশি।’
মানবিক কারণে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের ‘সাময়িক বিরতির’ আহ্বান জানিয়েছে জি-৭।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সাহায্য সংস্থা ইউএসএইড-এর এক হাজার কর্মী চিঠিতে সই করেছেন। এছাড়াও ইসরায়েলের প্রতি ওয়াশিংটন ডিসির অস্ত্র সহায়তা ও যুদ্ধনীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন এই সকল কর্মীরা।
আল জাজিরা











