আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে আলেম, শিক্ষাবিদ, লেখক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার পরাষ্ট্রমন্ত্রী মাওলানা আমির খান মুত্তাকী।
তিনি বলেন, “আমরা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, আলেম, অধ্যাপক, লেখক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আহ্বান জানাই, তারা যেন দুই মুসলিম দেশের মধ্যকার বিষয়গুলো সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অনুসরণ করেন এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ থেকে বিরত থাকেন।”
আফগান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিপ্লোম্যাটিক ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ বিশেষায়িত কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মুত্তাকী জানান, চীনের মধ্যস্থতায় চীনের উরুমকি শহরে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলো ইতিবাচক ফলাফল দিয়েছে।
তিনি বিশেষায়িত শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার জন্য পড়াশোনা ও জ্ঞান অর্জন অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেউ যেন ব্যক্তিগত মতামতের ওপর নির্ভর না করে এবং এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া না হয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়।”
দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, বর্তমানে পুরো আফগানিস্তানজুড়ে কোথাও সশস্ত্র বিরোধী তৎপরতার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, এই পরিস্থিতি উন্নয়ন, শিক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ তৈরি করেছে।
মুত্তাকী বলেন, “পুরো আফগানিস্তানজুড়ে কোথাও দেখা যাচ্ছে না যে বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কোনো জেলা বা প্রদেশে ঘাঁটি রয়েছে বা তারা হামলা চালাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে সব জাতিগোষ্ঠী ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এবং এটি একটি ভালো সুযোগ।”
উল্লেখ্য, এর আগে কাবুলে এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছিলেন, দীর্ঘ দশকের অস্থিতিশীলতার পর আফগানিস্তান এখন অঞ্চলের একটি স্থিতিশীল দেশে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে তার সম্পর্কও ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে।
সূত্র: তোলো নিউজ











