বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান না থাকলে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম হতো না। তিনি জামায়াতকে কৃতজ্ঞতাবোধহীন উল্লেখ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া না থাকলে তারা মন্ত্রিত্বের স্বাদও পেতেন না। পাশাপাশি জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক অবস্থান ও বক্তব্য নিয়ে তিনি কঠোর সমালোচনা করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান না থাকলে জামায়াতে ইসলামীর জন্ম হতো না। দেশের মাটিতে জামায়াতে ইসলামী রাজনীতি করতে পারত না। বেগম খালেদা জিয়া না থাকলে আপনারা মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেতেন না। অথচ আপনাদের ন্যূনতম কৃতজ্ঞতাবোধ নেই।”
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুড়িগ্রামের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, জামায়াতের আমির যখন যা সুবিধা মনে করছেন, তখন সেই পথ দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য দিনরাত কাজ করছেন, আর এ অবস্থানের মধ্য দিয়ে তার “আসল চরিত্র” ধরা পড়েছে।
জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, জামায়াতের আমির বলেছেন, “মেয়েরা এমপি হতে পারবে, রাষ্ট্রের প্রধান হতে পারবে না।” তিনি বলেন, “অথচ আপনারা এই বেগম খালেদা জিয়ার অধীনেই মন্ত্রী হয়েছিলেন।”
রিজভী আরও বলেন, তারা ক্ষমতায় থাকলে নারী অধিকার থাকবে না এবং মেয়েরা অফিস-আদালত কিংবা রাজনৈতিক দল, কোথাও ভালো কোনো পদ পাবে না।
এ সময় কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু এবং হাসিবুর রহমান হাসিবসহ জেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।











