রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা। সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, স্বামীর বিচার নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা না হলে ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাবেয়া ইসলাম শম্পা নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে লিখেছেন।
ফেসবুক পোস্টে রাবেয়া লিখেছেন, “ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আজকে তার বাসভবনে ফিরনাস (হাদির সন্তান) এবং আমাকে তার সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য ডেকেছিলেন ১২টায়। সেই আসা হলো, মাঝখানে আমার ইনকিলাবের ভাইবোনগুলোকে নির্যাতনের স্বীকার হতে হলো। এতে স্পষ্ট বোঝা যায়, এক পক্ষ এখনও সরকারের মধ্যে যারা হাসিনার দোসর।”
তিনি লিখেছেন, “যাই হোক, আসার উদ্দেশ্য জানা ছিল না। পরে বুঝতে পেরেছি ফিরনাসের দেখাশোনার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস স্যার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর কাগজপএ হস্তান্তরের জন্য আমাদের আসতে বলা।”
রাবেয়া লিখেছেন, “আমি তাকে স্পষ্ট করে বলেছি, আপনি কি আমার স্বামীর বিচারের ব্যাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। না হলে আমার ফিরনাস কোনো কিছুই গ্রহণ করবে না।”
তিনি বলেন, “তিনি আমাকে আস্বস্ত করেছেন যে তার হাতে যত কিছু আছে, ইনফ্যাক্ট জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যেভাবেই হোক এর সর্বশেষ পর্যন্ত সে যাবে হাদিকে সঠিক বিচার পাইয়ে দিতে। আমার ভাইবোন গুলোর উপরে যে হামলা করা হয়েছে তাতেও তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।”
চাকরি প্রসঙ্গে রাবেয়া লিখেছেন, “আমার জীবন, চাকরি এগুলোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আমি বলে দিয়েছি যে, আমি আমার নিজের যোগ্যতা দিয়ে জব নেব। আপনি ফিরনাসের জন্য করেছেন, অনেক শুকরিয়া।”
তিনি আরও লিখেছেন, “তিনি পুরোপুরি আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি আন্তর্জাতিকভাবে এই হত্যার তদন্তের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহায়তা করবেন। সে আশ্বাস পেয়ে এরপরেই আমি ওখান থেকে এসেছি।”











