বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

তুরস্কের প্রশংসায় জি-২০ নেতারা

ভারতের সভাপতিত্বে নয়া দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন হিসেবে রাশিয়া-ইউক্রেনের খাদ্যশস্য চুক্তি বা ‘ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভের’ প্রচেষ্টার জন্য তুরস্কের প্রশংসা করা হয়েছে।

জি-২০ সম্মেলনে একটি যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, “আমরা রাশিয়ার সাথে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্ততায় ব্ল্যাক সি ইনিশিয়েটিভ চুক্তির প্রশংসা করি। যার মাধ্যমে রাশিয়ার খাদ্যপণ্য ও সার ইউক্রেনীয় বন্দর থেকে বিশ্ব বাজারে নিরাপদে সরবরাহ করা হয়েছে।”

জি-২০ এর নেতারা ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে উৎপন্ন সার ও খাদ্যশস্য ‘নির্বিঘ্নে’ ও ‘দ্রুত’ সরবরাহের জন্য চুক্তিটি পুনরায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

ঘোষণায় আরো বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ বিশেষ করে আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত দেশগুলোর খাদ্য সংকট পূরণের জন্য চুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জি-২০ এর নেতারা বাণিজ্য, জলবায়ু ও অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে ২ দিনের জন্য বৈঠকে বসেছেন।যদিও সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত হননি।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হলে কৃষ্ণ সাগরের তিনটি ইউক্রেনীয় বন্দর থেকে শস্য রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ব্লাক সি ইনিশিয়েটিভ চুক্তির মাধ্যমে এটি পুনরায় শুরু করে রাশিয়া। তবে এই বছরের ১৭ জুলাই ইউরোপের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের বিভিন্ন অভিযোগ এনে শস্য চুক্তি থেকে সরে আসে মস্কো।

মস্কোর দাবি, জাহাজ চলাচল ও বীমার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তার কৃষি বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

যদিও মস্কোর এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাদের দাবি, আরোপিত নিষেধাজ্ঞাসমূহ রাশিয়ার শস্য ও সারকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।

এদিকে, এই চুক্তির বিকল্প নেই উল্লেখ করে তুরস্ক জানিয়েছে, চুক্তির বিষয়ে বেশ কয়েকটি সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান করে পুনরায় চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা উচিত।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ