চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি শিমুল মিজিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনাল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযুক্ত শিমুল মিজিকে গ্রেপ্তার করে। এদিকে এই ঘটনায় এরই মধ্যে অভিযুক্তকে সহায়তার দায়ে এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত রবিবার ফরিদগঞ্জ উপজেলার আষ্টামহামায়া পাঠশালা নামে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী। পথে এলাকার চিহ্নিত বখাটে শিমুল মিজি (২৪), ইজাজ হোসেন (২৩) এবং সাব্বির হোসেন (২৪) স্কুলছাত্রীকে পাশের ভোটাল গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের আশ্রয় দেন লিপি বেগম (৩২) নামে এক নারী। পরে ওই নারীসহ অন্যরা বাড়ির একটি ঘরে আটকে রাখে ছাত্রীকে।
একপর্যায়ে তারা তিনজন ঘরের বাইরে অবস্থান করে এবং ভেতরে প্রবেশ করে শিমুল মিজি। এসময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে শিমুল মিজি। পরে এই বিষয় কাউকে জানালে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ছাত্রীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে, এই ঘটনার পর ধর্ষিতা বাড়ি ফিরে কান্নাজাড়িত কণ্ঠে বিস্তারিত প্রকাশ করে মায়ের কাছে। পরে রবিবার রাতেই ফরিদগঞ্জ থানায় মূল ধর্ষকসহ চারজনকে আসামি করে একটি মামলা রুজু করেন ছাত্রীর মা।
অন্যদিকে, ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সোমবার সকালে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই বিষয় হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার সুজাউদৌলা রুবেল জানান, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনই মঙ্গলবার বিকেলে চাঁদপুরের বিচারিক আদালতের বিচারক মোরশেদ আলম এবং মিথিলা সরকারের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে।











