২ দিনের ব্যবধানে বাদাখশানের গভর্নর ও তার ড্রাইভারকে হত্যা এবং তাদের স্মরণে মসজিদে দু’আ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালিয়ে আরো ১৮জনকে হত্যার দায় স্বীকার করে নিয়েছে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন দায়েশ।
তাই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা প্রদানে তালেবানের সক্ষমতা নিয়ে। প্রশ্ন উঠছে তালেবান একাই সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার সামর্থ রাখে কি না তা নিয়ে।
শুক্রবার (৯ জুন) উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র ও উপ তথ্যমন্ত্রী জবিহুল্লাহ মুজাহিদ।
তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের নিরাপত্তা প্রদানের সক্ষমতার প্রশ্নে নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়ে জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পুরো আফগান আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উন্নত বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোতেও এরকম হামলার ঘটনা ঘটে থাকে। অথচ তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।
তালেবান একাই সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার সামর্থ রাখে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিরাপত্তা খাতে আমাদের যথেষ্ট জনবল ও সুসংগঠিত বাহিনী রয়েছে। নাশকতা মোকাবিলায় তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বিদেশী বাহিনীর প্রয়োজন নেই আমাদের। আফগানিস্তানে মসজিদ কেন্দ্রিক হামলা চালানো সন্ত্রাসী দায়েশ সংখ্যায়ও বেশি নয়। বিচ্ছিন্ন হামলা চালিয়ে অস্তিত্বের জানান দিয়ে যাচ্ছে শুধু। তালেবান নেতৃত্বাধীন সরকারের বাহিনী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। তবে মসজিদ কেন্দ্রিক হামলার মোকাবিলা করা আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য বিষয়। কেননা মসজিদের আলাদা সম্মান রয়েছে। বিশেষ বিশেষ দিন ও দোয়া অনুষ্ঠানগুলোতে মুসল্লীদের সমাগমও ঘটে অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি। তবে এবিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে আমাদের সরকার। এতে নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে আমাদের।
সূত্র: আল জাজিরা মুবাশির











