প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার পথ চলা এত সহজ ছিল না। অনেক চড়াই-উৎরাই, ঘাত-প্রতিঘাত, গুলি, বোমা, গ্রেনেড হামলা, অনেক কিছুর মুখোমুখি হতে হয়েছে আমাকে। তারপরও আমি হাল ছাড়িনি। যার ফলে আজকে বলতে পারি বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
রোববার (১১ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে মাধ্যমিক থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব পরিবর্তনশীল, সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে। নিরক্ষতামূলক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচনের সময় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, তারপর ক্ষমতায় আসার পর উদ্যোগ নেয়া হয়। আজকে কিন্তু আমরা সেই কাজ করতে সফল হয়েছি, আজকে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। কারণ আধুনিক প্রযুক্তি সঙ্গে আমরা যদি তাল মিলিয়ে চলতে না পারি, তাহলে চলব কিভাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছিলাম বলেই মহামারি করোনা মোকাবিলা করা সহজ হয়েছে। এমন কি স্কুল-কলেজ যখন সব বন্ধ রাখা হয়, তখন অনলাইনে বিশ্ব মহামারি করোনার মধ্যে ‘আমার ঘর আমার স্কুল’ এ নীতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হয়। আজকে আমাদের ছেলেমেয়েরা মেধা বিকাশের সুযোগ পেয়েছে। তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী যে শক্তিটা সেটা প্রকাশিত হচ্ছে। আজ তারা যে বক্তব্য দিয়েছে, শুনে আমার মন ভরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, সবদিক থেকে এগিয়ে গেলেও স্বাস্থ্যখাতের গবেষণায় আমরা পিছিয়ে রয়েছি। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের গবেষণার ক্ষেত্রে এখন আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা কৃষিতে যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছি। কিন্তু বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমরা এতটা করতে পারছি না। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আরও গবেষণার প্রয়োজন।











