জাতীয় সংসদ থেকে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। স্পিকার তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। তাদের আসন শূন্য ঘোষণা করেন তিনি। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি সংসদের স্পিকার। একজন অসুস্থ থাকায় এবং একজন দেশের বাইরে থাকায় তাদের পক্ষে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
আজ (রোববার) বেলা ১১টায় সংসদ পাঁচ সংসদ সদস্য ভবনে গিয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
স্পিকার ৫ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে আসনগুলো শুন্য ঘোষণা করেছেন। বাকি দুজনের মধ্যে উকিল আবদুস সাত্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, উনার সেই যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদ সদস্য হারুনের পদত্যাগপত্রের মূল কপি না থাকায় তা গ্রহণ করেননি স্পিকার। কারণ বলা হয়েছে, তার পদত্যাগপত্রের মূল কপি লাগবে। মেইল থেকে প্রিন্ট করা কপি গ্রহণ করা যাবে না।
সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, পদত্যাগপত্র সশরীরে এসে জমা দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে পাঁচজন পদত্যাগপত্র নিয়ে এসেছেন তাদের আসন শূন্য হয়ে গেছে। বাকি দুটি আবেদনের সই যাচাই করা হবে এবং তারাই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কিনা, সংসদ সচিবালয় তা খোঁজ নেবে। তবে হারুন অর রশীদ পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ইমেইলে, তার সই স্ক্যান করে বসানো হয়েছে। এটা গ্রহণ করা হবে না, তাকে আবার পদত্যাগপত্র দিতে হবে।
বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, সংসদ সদস্য হারুনের পদত্যাগপত্রের মূল কপি না থাকায় তা গ্রহণ করেননি স্পিকার। কারণ বলা হয়েছে, তার পদত্যাগপত্রের মূল কপি লাগবে। মেইল থেকে প্রিন্ট করা কপি গ্রহণ করা যাবে না।











