জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, লুটেরাদের বিচার না করে ইসলামী ব্যাংককে আবারও এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া তিনি এ কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ছিল, তারা আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ দেবে না, রাজনৈতিক বিবেচনাও করবে না। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকে আমরা সর্বপ্রথম রাজনৈতিক ও বিতর্কিত নিয়োগ দেখেছি, দলীয় নিয়োগ দিতে দেখেছি। ইসলামী ব্যাংককে আবারও এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর অর্থ হলো, ব্যাংকিং খাতে যে নৈরাজ্য ছিল, আমানতকারীদের যে অনাস্থা ছিল, তা নতুন করে আবার শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, সবাই সরকারের দিকে তাকিয়ে ছিল, একটি আস্থার জায়গা তৈরি হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা হয়নি। ইসলামী ব্যাংকের ওপর যদি আমানতকারীদের অনাস্থা তৈরি হয়, তাহলে সারা ব্যাংকিং খাতেই তার প্রভাব পড়বে এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। আর সেটাই হচ্ছে।
তবে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের কিছুটা স্বস্তির জায়গা হচ্ছে, শিক্ষা খাত, স্বাস্থ্য খাত এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাজেটের বরাদ্দ বেড়েছে। যেহেতু এই সরকার নির্বাচনের আগে থেকেই কার্ডের রাজনীতি করে যাচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই সামাজিক নিরাপত্তা খাতে তারা বাজেট বরাদ্দ বাড়িয়েছে। এতে মানুষ কিছুটা উপকৃত হবে বলে আমরা মনে করি।
তিনি আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কয়েকটি পণ্যে কর কমানো হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে দ্রব্যমূল্য কিছুটা কমে আসার কথা।
তবে কর ছাড়ের ফলে সাধারণ মানুষ বাস্তবে কতটা উপকৃত হবে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।











