আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ অনুসন্ধানে আগ্রহী, এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সোমবার (মঙ্গলবার) এ কথা জানান হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কারোলিন লিভিট।
লিভিট বলেন, ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বিক্ষোভকারীরা আক্রান্ত হলে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি বাস্তবায়নে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভীত নন। তবে তাঁর অগ্রাধিকার হলো তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করা।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি সব সময় সব ধরনের বিকল্প খোলা রাখেন। প্রধান সেনাপতি হিসেবে তাঁর সামনে বিমান হামলাসহ বহু বিকল্প রয়েছে। তবে প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে কূটনীতিই সব সময় প্রথম পছন্দ।
লিভিট আরও বলেন, ইরানি সরকার প্রকাশ্যে যে বক্তব্য দিচ্ছে, প্রশাসন গোপনে যে বার্তা পাচ্ছে, তা তার থেকে একেবারেই ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট এসব বার্তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করতে আগ্রহী। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন মনে করলে সামরিক বিকল্প ব্যবহারে যে তিনি দ্বিধাগ্রস্ত নন, তা তিনি আগেও দেখিয়েছেন। এ বিষয়টি ইরানের চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না।
ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, তারা যাদের ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারী’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে, তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। এসব গোষ্ঠী দেশজুড়ে বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থার বরাতে জানানো হয়, সোমবার ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির ভেতর দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক কার্গো ট্রাক চলাচলের সময় ২৭৩টি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, নিষিদ্ধ একটি কুর্দি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচ সদস্যের একটি ‘সন্ত্রাসী সেল’ খোররামাবাদ শহর থেকে আটক করা হয়েছে।
এ ছাড়া, ইরানের বাইরে থেকে পরিচালিত ফার্সি ভাষার বিরোধী চ্যানেলগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরও ১৫ জনকে আটক করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











