রাশিয়ার বিরুদ্ধে তুরস্কের আসন্ন প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনে অপতৎপরতার অভিযোগ এনেছেন এরদোগানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল কিলিচদার ওগলু।
শুক্রবার (১২ মে) এরদোগানের বিপক্ষ দলগুলোর বিরুদ্ধে অনলাইন অপতৎপরতার পেছনে রাশিয়ান হ্যাকারদের উপস্থিতির যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ মে) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পদের ক্ষেত্রে ৩য় অবস্থানে থাকা মুহাররম ইনচের প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় একটি টুইট বার্তা দেন এই কট্টর সেক্যুলার নেতা।
টুইট বার্তায় কামাল কিলিচদার ওগলু বলেছিলেন, আমাদের বিরোধী পক্ষ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহুর্তে এসে তাদের বিপক্ষ দলগুলোর মনোবল ভেঙ্গে দিতে এবং নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে বিদেশী হ্যাকারদের নিয়োগ দিয়েছে। তারা মারাত্মক ধরণের ফেইক ভিডিও ও কন্ঠস্বরের হুবহু নকল তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রমাণের ভিত্তিতে দোষারোপ করা হচ্ছে কি না তা উল্লেখ না করে তিনি আরো বলেছিলেন, প্রিয় রাশিয়া, আমাদের দেশে মনটাজ, কনস্পাইরেসি, ডিপফেইক কন্টেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে আপনাদেরই হাত রয়েছে। আপনারা যদি ১৫ মে পরবর্তী তুরস্কের সাথে নিজেদের বন্ধুত্ব বজায় রাখতে চান তবে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকুন।
কামাল কিলিচদার ওগলুর এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (১২ মে) রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়।
বিবৃতিতে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রিভ পেসকোভ বলেন, রাশিয়া এধরণের বক্তব্যকে কঠোরভাবে প্রত্যাখান করে। আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের এখানে হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগই রাখা হয়নি। কেউ যদি কিলিচদার ওগলুকে হস্তক্ষেপের তথ্য সরবরাহ করে থাকে, তবে তারা অবশ্যই মিথ্যা বলছে।
এছাড়া মস্কো আঙ্কারার সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কেননা আমাদের যে কোনো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমস্যার ক্ষেত্রে তুরস্কের পূর্ণ স্বাধীন, দায়িত্বশীল এবং চিন্তাশীল অবস্থান রয়েছে।
ইউক্রেন সংঘাতে তুরস্কের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো মজবুত হয়েছে। কেননা এরদোগান অধিকাংশ সময়ই আমাদের দু’পক্ষের মাঝে আলাপ-আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা











