কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, শাপলা হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। হাসিনাহীন হাসিনা ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা হয়েছে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হাসিনাকে উৎখাত করা হলেও গাঠনিক ক্ষমতা অর্জন করা যায়নি।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি (ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ) ভবনে এনসিপি সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এ কথা বলেন।
মজহার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখানে রেজিম চেঞ্জ করেছে, তারাই এখন ক্ষমতায় রয়েছে, ক্ষমতা আমাদের হাতে নেই। সামনে অনেক বড় বিপদ। বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ। আমাদের বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
আলোচনা সভায় কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বর ছিল কালচার ফাইটের অংশ। এই অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর এই ফাইট জারি রাখতে হবে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, অন্য হত্যার সঙ্গে শাপলা গণহত্যার পার্থক্য রয়েছে। একটি জনগোষ্ঠীকে আলাদা করে হত্যা করা হয়েছে, সেটি যেন আমরা ভুলে না যাই। তাদের শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি ও এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, সুনির্দিষ্ট অপরাধীদের আসামি করে মামলা করতে হবে। তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অনেক বছর পরেও এই বিচারের দাবি তুলতে হবে আমাদের।
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের (এনইউএ) আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, এনইউএর সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান প্রমুখ।











