নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উন্নতি, অর্থনীতিকেন্দ্রিক নীতি এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আফগানিস্তান বিদেশি বিনিয়োগের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন চীনে নিযুক্ত আফগান রাষ্ট্রদূত বিলাল করিমি। একই সঙ্গে দেশটিকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উন্নতি এবং অর্থনীতিকেন্দ্রিক নীতির কারণে আফগানিস্তান বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে সপ্তম চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি আফগানিস্তান, চীন ও অঞ্চলের অন্যান্য দেশকে সম্পৃক্ত করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং যোগাযোগ উদ্যোগ সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
বেইজিংয়ে আফগানিস্তান দূতাবাসের তথ্যমতে, ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিলাল করিমি বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে তা টেকসই উন্নয়ন ও অভিন্ন সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে সহায়ক হতে পারে।
আফগানিস্তানের ভৌগোলিক গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া এবং পার্শ্ববর্তী বাজারগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, “আঞ্চলিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করছে আফগানিস্তান।”
আঞ্চলিক অংশীদারদের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ প্রকাশ করেন বিলাল করিমি।
চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে বিভিন্ন দেশের সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। ফোরামে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সংহতি এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
ফোরামে আফগানিস্তানের অংশগ্রহণকে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতামূলক প্রকল্প জোরদার করা হলে তা বাণিজ্য সহজতর করা, অবকাঠামোগত সংযোগ উন্নত করা এবং পুরো অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: আরিয়ানা নিউজ











