পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে জাতিসংঘে নিন্দা প্রস্তাব পাশের বিপক্ষে অবস্থানকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।
বুধবার (১২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তি অধিকার ও বাক স্বাধীনতার অজুহাতে নিন্দা প্রস্তাবের বিপক্ষে যাওয়া দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
এরদোগান বলেন, ভিলনিয়াসে ২দিন ব্যাপী ন্যাটো সম্মেলনে কেনো কুরআন পোড়ানো জঘন্য অপরাধ, কেনো সুইডেনকে তাদের দেশে এর অনুমোদন বাতিল করা উচিত এবিষয়ে আমরা যাবতীয় তথ্য নথি আকারে উপস্থাপন করেছি। তাদেরকে নিন্দা জানাতে ও অনুতপ্ত হতে বাধ্য করেছি।
তিনি আরো বলেন, জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বৈঠকে কুরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে জাতিসংঘে এর বিরুদ্ধে ওআইসি কর্তৃক উত্থাপিত নিন্দা প্রস্তাবের বিপক্ষে যারা অবস্থান নিয়েছে, তাদের উচিত নিজেদের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নীতি নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা। কেন না ধর্ম ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত কখনোই বাক স্বাধীনতা হতে পারে না, বরং তা বিদ্বেষ ও সন্ত্রাসবাদের একটি নিকৃষ্ট প্রকার।
আমেরিকা ও ব্রিটেনের মতো দেশগুলোর নিন্দা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে অবস্থান সত্ত্বেও প্রস্তাবটি পাশ হওয়ায় তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল ইউএনএইচআরসি ও এর পক্ষে ভোট প্রদানকারীদের প্রশংসা করেন।
এরদোগান বলেন, কুরআন পোড়ানোকে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধ আখ্যা দিয়ে নিন্দা প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ায় ইউএনএইচআরসিকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
এসময় তিনি বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেখানে ইসলাম বিদ্বেষ বেড়ে চলেছে তাদেরকেও ইসলাম বিদ্বেষের বিপক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান।
সূত্র: আল জাজিরা নেট











