গাজ্জা ও লেবাননে ইসরাইলি সামরিক হামলার প্রতিবাদে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বিক্ষোভ করেছেন শত শত মানুষ।
শনিবার (১৩ জুন) স্টকহোমের ওডেনপ্ল্যান স্কয়ারে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ সংগঠনের উদ্যোগে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজ্জা ও লেবাননে ইসরাইলের সামরিক কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান।
বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘গাজ্জায় শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে’, ‘স্কুল ও হাসপাতালের ওপর বোমা হামলা বন্ধ করো’, ‘লেবাননের ওপর হামলা বন্ধ করো’ এবং ‘খাদ্যসংকটের অবসান ঘটাও’।
সমাবেশ থেকে গাজ্জায় ইসরাইলি সামরিক হামলা বন্ধের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ইসরাইলের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করতে সুইডেন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা।
এ কর্মসূচিতে ইরানি বংশোদ্ভূত একদল বিক্ষোভকারীও অংশ নেন। তারা আমেরিকা ও ইসরাইলের নীতির বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানান।
আজারবাইজানি বংশোদ্ভূত সুইডিশ মানবাধিকারকর্মী আইদিন আমির হাশিমি আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থন না থাকলে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হতো না।’
পশ্চিমা দেশগুলো রাজনৈতিক, নৈতিক ও আইনি সহায়তা দিয়ে এ পরিস্থিতিকে উৎসাহিত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
হাশিমি বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকায় ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন দমন করা হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, আমেরিকার কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ইসরাইলের সমালোচনা করা কিংবা দেশটিকে বয়কটের আহ্বান জানানো শাস্তিযোগ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
হাশিমি বলেন, ‘আমরা সুইডেনে এমন কিছু হতে দেব না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এমন কোনো সুপারিশকেও আইনে পরিণত হতে দেব না।’
হুমকি, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও কর্মক্ষেত্রের চাপের মুখেও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি।











