গাজ্জা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-রাশিদ সড়কে একটি গাড়িতে ড্রোন হামলা চালিয়ে গাজ্জার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল আবু কামিলকে হত্যা করেছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলি বাহিনী। এ হামলায় আরও দুজন মারা গেছেন।
গাজ্জার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আবু কামিলকে বহনকারী গাড়িটি লক্ষ্য করে ড্রোন থেকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এতে ৪৩ বছর বয়সী এই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গাজ্জায় ইসরাইলের এক সপ্তাহের বিমান হামলার বিরতি শেষ হওয়ার এক দিন পর এ হত্যাকাণ্ড ঘটল। যদিও ওই বিরতির সময়ও প্রাণঘাতী স্থল হামলা বন্ধ হয়নি। অক্টোবরে সম্মত হওয়া তথাকথিত যুদ্ধবিরতি ইসারাইল অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে, আবু কামিলকে তারা ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করে লক্ষ্যবস্তু করেছে। কোনো প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তাদের দাবি, তিনি হামাসের একজন কমান্ডার ছিলেন।
তবে গাজ্জার পুলিশ বাহিনী ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘আবু কামিল পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
হামাসও এক বিবৃতিতে আবু কামিলকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটি এটিকে ‘দখলদারদের হাতে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের ধারাবাহিকতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
একই সঙ্গে হামাস বলেছে, এ হত্যাকাণ্ড ‘গাজা উপত্যকায় বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছড়িয়ে দেওয়ার তাদের করুণ ও ব্যর্থ প্রচেষ্টা’র অংশ।
এর আগে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজ্জার খান ইউনিসে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করেও হামলা চালায় ইসরাইল। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের একজন নিহত এবং অপরজন গুরুতর আহত হন।
সূত্র: আল জাজিরা










