spot_img
spot_img

উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে গাজ্জার অর্ধ লক্ষ গর্ভবতী নারী ও সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুরা : জাতিসংঘ

অবরুদ্ধ গাজ্জা উপত্যকায় পানি, ঔষধ, জ্বালানি ও খাদ্য সংকটের কারণে আসন্ন ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হতে পারে প্রায় অর্ধ লক্ষের ও বেশি গর্ভবতী মহিলা ও নবজাতক শিশু বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ)।

রবিবার (১২ নভেম্বর) সংস্থার পক্ষ থেকে এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “চলমান সহিংসতার মধ্যে এই মুহূর্তে গাজ্জার প্রায় ৫০ হাজার গর্ভবতী নারী রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৮০ টি বাচ্চা প্রসব হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে আগামী কয়েক সপ্তাহে কয়েক হাজার নবজাতক জন্মগ্রহণ করবে। তাই এসব গর্ভবতী মহিলা ও নবজাতক শিশুদের স্বাস্থ্য নির্ভর করছে খাদ্য, পানি, ঔষধ ও জ্বালানির উপর।”

এদিকে, এর আগে এক বিবৃতিতে ওসিএইচএ জানায়, “গাজ্জার অর্ধেকেরও বেশি হাসপাতাল ও দুই তৃতীয়াংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র চিকিৎসা সেবা প্রদানে সক্ষম নয়। এছাড়াও রোগীদের বহনকারী ৫৩ টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী।”

অন্যদিকে, গাজ্জা শহর ও উত্তর গাজ্জা থেকে ১৩ টি হাসপাতাল খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দখলদার বাহিনী। তবে অনেকেরই হাসপাতাল ত্যাগ করার পরিস্থিতি বা ক্ষমতা নেই।

এবিষয়ে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এ সমস্ত রোগীদের ছেড়ে যাবেন না তারা, কারণ তাদের জীবন রক্ষার শপথ নিয়েছেন চিকিৎসকরা। সেই সঙ্গে ৮ ঘন্টা পায়ে হেঁটে মধ্য গাজ্জায় যাওয়ার মতো সামর্থ্য সকল রোগীদের নেই। আর দক্ষিণে যাত্রা কালীন সময়ে এসব রোগীরা যে ইসরাইলি বাহিনীর বোমা হামলার স্বীকার হবে না তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।

উল্লেখ্য, গাজ্জা উপত্যকায় একটি স্থানও বর্বর ইসরাইলি বাহিনীর দ্বারা নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ