যুদ্ধ বন্ধে শান্তিচুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে আমেরিকা ও ইরান। একে সামরিক দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের মাধ্যমে অর্জিত রাজনৈতিক ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করছে তেহরান। সেইসঙ্গে তেহরান বলছে, এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল আলোচনার সূচনা।
চুক্তি নিয়ে ইরানিদের মধ্যে আশাবাদ ও সংশয়—উভয়েরই এক ক্রমবর্ধমান অনুভূতি রয়েছে, যা আশা ও স্বস্তির এক মিশ্রণ।
আমেরিকার পক্ষ থেকে ইরানের ওপর বছরের পর বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপ ছিল। নৌ-চলাচলের এই অবরোধ সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করেছে। তাই অনেকেই বলছেন, তারা সন্তুষ্ট এবং আশা করছেন যে কিছুটা স্বস্তি আসবে।
আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়েছে শত্রুরা: ইরানের সেনাবাহিনীআত্মসমর্পণে বাধ্য হয়েছে শত্রুরা: ইরানের সেনাবাহিনী
সেইসঙ্গে তারা বলছেন, এরপর কী হবে তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। কারণ আমেরিকা প্রতিশ্রুতি রাখে না। এ থেকে আমরা সবচেয়ে বড় শিক্ষা পেয়েছি এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তন আসছে।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শত্রুদের’ আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার তথ্যমতে, বিবৃতিতে ইরানের সহনশীল ও গর্বিত জনগণ এবং দেশের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীতে থাকা তাদের সাহসী ও নির্ভীক সেনাদের প্রশংসা করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা











