কুমিল্লায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পুজা মণ্ডপে কুরআনুল কারীম রাখা ব্যক্তি একজন মাদকসেবী। সে একাই আসামি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
তিনি বলেন, মণ্ডপে যে পবিত্র কুরআন শরিফ রেখেছে, সে একাই আসামি হবে না। কারণ, সে একজন মাদকসেবী। তার কোনো স্বার্থ নাই ওইটা এখানে রাখার। হয়তো তাকে কেউ ৫০০ টাকা, ১০০০ টাকা দিছে। মাদকসেবীর কাজই তো তাই, পাঁচ টাকা পাইলেও রডের মাথা ভাইঙ্গা-টাইঙ্গা নিয়া যাইয়া বিক্রি করে, হেরোইন কিনা খায়। তাকে সেই ব্যবহারটা করেছে, কারা করেছে ব্যবহার? সব তথ্যই বেরিয়ে এসেছে।
রোববার (১৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সেমিনারে’ তিনি এসব কথা বলেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে চাই। এটি সম্ভব হলে স্বাভাবিকভাবেই সারা দেশে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সুযোগ হবে না।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমি নিজেও বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব বিচারকাজ হোক। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সব সময় লক্ষ্য করছেন, দেখভাল করছেন এবং আমাদের প্রতি নজর রাখছেন, আমরা কী করছি না করছি। আমরা আশাবাদী, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত প্রতিবেদন চলে এলে, আইনের আওতায় চলে গেলে দ্রুততম সময়ে বিচার শেষ হবে।











