মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাবি করার কয়েক ঘন্টা পরেই, গাজ্জা উপত্যকার সবচেয়ে বড় ও প্রধান হাসপাতালে অভিযান শুরু করেছে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। যেখানে রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী ও বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ আটকে পড়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলের সাঁজোয়া যানগুলো হাসপাতাল কমপ্লেক্সে প্রবেশ করেছে। এছাড়াও আল-শিফা হাসপাতালের অস্ত্রোপচার ও জরুরি ভবনে ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলি সেনারা। যার ফলে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসা হচ্ছে অসুস্থ রোগীদের।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা বিভিন্ন ভিডিওতে হাসপাতালে অবস্থানরত নারী ও শিশুদের আত্মচিৎকার শোনা যাচ্ছে।
অভিযানের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই হামাস আল শিফা হাসপাতালকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে বলে সাংবাদিকদের কাছে জানান হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি। তবে এবিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ উল্লেখ করেননি তিনি।
তবে এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। সেই সঙ্গে ইসরাইলকে হাসপাতাল জুড়ে নৃশংস গণহত্যা চালানোর সবুজ সংকেত দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে হামাস।
এছাড়াও এমন উদ্ভট দাবি খণ্ডন করার জন্য,গাজ্জার হাসপাতালগুলো পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে হামাস। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের কাছে একটি আন্তর্জাতিক কমিটি গঠন করার কথাও উল্লেখ করেছে স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।
এদিকে, আল শিফার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, হামাসের সদস্যরা হাসপাতাল ব্যবহার করেনি বরং, গাজ্জার স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চালানো হামলার ন্যায্যতা দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে ইসরাইল।
সূত্র: আল জাজিরা











