রানঅফ রাউন্ডে কাকে সমর্থন দিবেন তা গোপন রাখলেন ১৪ মে’র নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে ৩য় স্থান অর্জনকারী ড. সিনান ওগান।
সোমবার (১৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে ৫.১৭ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে ৩য় স্থান অর্জনকারী এই নেতা একটি ঘোষণা দেন।
ঘোষণায় তিনি বলেন, এরদোগান ও কিলিচদার ওগলু দু’পক্ষই আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং রান অফ রাউন্ডে তাদের জোটকে সমর্থনের আহবান জানিয়েছে। তবে কার পক্ষে আমাদের সমর্থন থাকবে তা এখনই আমরা জানাতে চাচ্ছি না।
তিনি আরো বলেন, আমরা যদি কোনো জোটকে সমর্থন দিই তবে অবশ্যই আগে একটি প্রটোকল সাক্ষরিত হবে। এটা একারণে যে, যাতে স্পষ্ট হয়ে যায় পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি তাদের নীতিতে কোনোক্রমেই ছাড় দিতে রাজি নয়।
সমর্থনের ক্ষেত্রে আমাদের কিছু রেড লাইন থাকবে যা ওই প্রটোকলে উল্লেখ থাকবে। যেমন, শরণার্থীদের তুরস্ক থেকে ফিরিয়ে দেওয়া, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং এধরণের আরো কিছু বিষয় যেগুলোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমরা নির্বাচনে নেমেছিলাম।
এছাড়াও তিনি কিলিচদার ওগলুর বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন। আর বলেন যে, তার জোট জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
উল্লেখ্য; রবিবার (১৪ মে) নির্বাচনের শতভাগ ফলাফল প্রকাশের পর ৫০ শতাংশ ভোট না থাকায় প্রেসিডেন্ট নির্ধারণের জন্য রান অফ রাউন্ড আয়োজনের ঘোষণা দেয় তুরস্কের সর্বোচ্চ নির্বাচন কমিশন।
আগামী ২৮ মে রবিবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রান অফ রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে দেশটিতে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে এরদোগানের পক্ষে ভোট আসে ৪৯.৫১ শতাংশ। আর তার কিলিচদার ওগলুর পক্ষে আসে ৪৪.৮৮ শতাংশ।
প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও তুরস্কের জনপ্রিয় নেতা রজব তাইয়েব এরদোগানের পক্ষে ভোট আসে ৪৯.৫১ শতাংশ। আর কট্টর সেক্যুলারবাদী নেতা কামাল কিলিচদার ওগলুর পক্ষে আসে ৪৪.৮৮ শতাংশ ভোট। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ব্যক্তি ড.সিনান ওগান পান ৫.১৭ শতাংশ ভোট।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫০ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থাকতে না পারলেও পার্লামেন্ট নির্বাচনে কিন্তু ঠিকই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এরদোগানের দল একে পার্টি ও তার নেতৃত্বাধীন জোট পিপলস অ্যালায়েন্স।
পার্লামেন্টারি ৬০০ আসনের মধ্যে ৩২৩টি আসনে জয়লাভ করে তারা। এর মধ্যে আবার একে পার্টি একাই ২৬৭টি আসনে জয়ী হয়।
অপরদিকে কামাল কিলিচদার ওগলুর নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোট ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স মাত্র ২১১টি আসনে জয়লাভ করে।
সূত্র: আল জাজিরা











