প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের রান অফ রাউন্ডে এরদোগানকে সমর্থন দিবে সুন্নি কুর্দিশদের রাজনৈতিক হুদা পার্টি বা এইচডিপি।
মঙ্গলবার (১৬ মে) দলটির প্রেসিডেন্ট ইয়াবচি ওগলু এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের দলের সকল সদস্য যারা পার্লামেন্ট নির্বাচনে গিয়েছে একে পার্টির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সফলতা পেয়েছে।তবে ২য় দফার নির্বাচনে সফলতার জন্য আমরা আমাদের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানকে সমর্থন দিবো।
জানা যায়, সুন্নি কুর্দিশদের রাজনৈতিক দল হুদা পার্টি রবিবার ১৪ মে-তে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কট্টর সেক্যুলারবাদী কামাল কিলিচদার ওগলু ও তার এরদোগান বিরোধী জোট ন্যাশনাল এলায়েন্সকে সমর্থন দিয়েছিলো।
উল্লেখ্য, রোববার (১৪ মে) তুরস্কের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দেশটিকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিকে যেতে হচ্ছে।
শতভাগ ব্যালট গণনার পর রজব তাইয়েব এরদোগানকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কট্টর সেক্যুলারবাদী কামাল কিলিচদার ওগলুর থেকে ৪.৬৩ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থাকতে দেখা যায়।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে এরদোগানের পক্ষে ভোট আসে ৪৯.৫১ শতাংশ। আর তার কিলিচদার ওগলুর পক্ষে আসে ৪৪.৮৮ শতাংশ।
যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী কোনো প্রার্থীই ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে অন্যান্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারেনি তাই প্রেসিডেন্ট নির্ধারণী নির্বাচন রান অফ বা দ্বিতীয় দফায় গড়াতে যাচ্ছে। তুরস্কের নির্বাচনী আইনে প্রেসিডেন্ট রানঅফ রাউন্ড মূল নির্বাচনের ১৫ দিনের মাথায় আয়োজনের বিধান রয়েছে। সেই মোতাবেক আগামী ২৮ মে রবিবার তা আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটির সর্বোচ্চ নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, দেশটির গত ১০০ বছরের ইতিহাসে এ প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায় বা রানঅফ রাউন্ডে গড়াচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫০ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থাকতে না পারলেও পার্লামেন্ট নির্বাচনে কিন্তু ঠিকই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এরদোগানের দল একে পার্টি ও তার নেতৃত্বাধীন জোট পিপলস অ্যালায়েন্স।
পার্লামেন্টারি ৬০০ আসনের মধ্যে ৩২৩টি আসনে জয়লাভ করে তারা। এর মধ্যে আবার একে পার্টি একাই ২৬৭টি আসনে জয়ী হয়।
অপরদিকে কামাল কিলিচদার ওগলুর নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোট ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স মাত্র ২১১টি আসনে জয়লাভ করে।
সূত্র: আল জাজিরা











