গাজ্জায় চলমান ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ নারী সংস্থার মুখপাত্র সোফিয়া কলটর্প।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইসরাইলের বিমান হামলা ও স্থল সামরিক হামলায় এই বিপুলসংখ্যক নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ২২ হাজারের বেশি নারী এবং প্রায় ১৬ হাজার কন্যাশিশু রয়েছে। গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, শুধু প্রাণহানিই নয়, এই সংঘাতে আরও প্রায় ১১ হাজার নারী ও কন্যাশিশু গুরুতরভাবে আহত হয়েছে, যাদের অনেকেই আজীবন পঙ্গুত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।
ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনি পরিবার কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলেও জানান সোফিয়া কলটর্প।
কলটর্প বলেন, হাজার হাজার পরিবারে এখন নারীরাই প্রধান উপার্জনকারী হয়ে উঠেছেন। স্বামী হারিয়ে তারা আয়, সহায়তা এবং মৌলিক সেবার সুযোগ ছাড়াই পরিবার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন।
এদিকে, যুদ্ধের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ নারী ও কন্যাশিশু বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। একই সঙ্গে প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার নারী ও কন্যাশিশু চরম খাদ্য সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরাইল ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নতুন মাত্রা পায়, যা গাজ্জার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ থাকা এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশে বাধার কারণে চিকিৎসা সহায়তা পাওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।











