ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বলেছেন, দেশের সবকিছু স্বাভাবিক হলেও করোনার দোহাই দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা দুরভিসন্ধিমূলক চক্রান্ত।
তিনি বলেন, শতভাগ যাত্রী নিয়ে লঞ্চ, বাস, ট্রেনসহ সবধরনের গণপরিবহন চলছে। শপিংমল, হোটেল- রেস্তোরা এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই খুলে দেয়া হয়েছে। অথচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৫১৯ দিন ধরে বন্ধ রাখার কোন মানে হয় না।
আজ বুধবার দুপুরে বরিশাল টাউন হল চত্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, এ সিদ্ধান্তকে হঠকারী বলে কোন জনবান্ধন সরকার এমনটা করতে পারেনা।
তিনি সরকারের প্রতি চলতি মাসের মধ্যে কওমি মাদরাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দবী জানিয়ে বলেন, অন্যথায় দেশব্যাপী দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে বাধ্য করা হবে।
শায়খে চরমোনাই বলেন, শিক্ষা প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এছাড়াও বিশ্বের বুকে দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে জাতিকে শিক্ষিত ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। অথচ আজ দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হলো শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে আন্দোলন করতে হয়। এ সরকারের জন্য এর চেয়ে লজ্জা আর কিছুই হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংগঠনের বরিশাল মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা লুৎফর রহমান-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা সৈয়দ নাসির আহমাদ কাওছার, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, মহানগর জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের আশরাফী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন নূরী, ৬নং জাগুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতী হেদায়াতুল্লাহ খান আজাদী, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম বরিশাল মহানগর সভাপতি প্রিন্সিপাল ওমর ফারুক, ইসলামী যুব আন্দোলন মহানগর সভাপতি মাওলানা আরিফুর রহমান, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন মহানগর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিএম কলেজ শাখা সভাপতি আব্দুর রহিম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি তৌহিদ বাশারসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।












