spot_img

আল আকসা মসজিদে নামাজের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইসরাইলি বাহিনী

মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা মসজিদ। যেখানে প্রতি শুক্রবার জুম্মার নামাজে অন্তত ৫০ হাজার মুসল্লী অংশগ্রহণ করে থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলি কতৃপক্ষ দ্বারা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরে মুসল্লিদের সংখ্যা ভয়াবহভাবে কমে এসেছে।

গত সপ্তাহে মাত্র ৪ হাজার ফিলিস্তিনি জুম্মার নামাজে অংশগ্রহণ করেছে। আর এমন ঘটনা একটি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে, আল আকসা মসজিদের পার্শ্ববর্তী রাস্তায় নামাজ আদায়ের চেষ্টা করায় ফিলিস্তিনিদের উপর কাদানে গ্যাস ছুড়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়াও যেসব সাংবাদিকরা এ ঘটনা তুলে আনার চেষ্টা করেছেন তাদেরকেও আক্রমণের শিকারে পরিণত হতে হয়েছে।

এবিষয়ে মুহাম্মাদ সালায়মেহ নামক ১৮ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি যুবক বলেন, ইসরাইলি বাহিনী আল আকসায় প্রবেশ করতে দেয় না বরং, আমাদের নির্যাতন ও লাঠিপেটা করে।”

ইসরাইলি বাহিনীর এমন নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র অল্প বয়সীদের উপরই আরোপ করা হয়নি।

৪৭ বছর বয়সী জিহাদ ত্বহাকেও গত সপ্তাহে জুম্মার নামাজে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ইসরাইলি বাহিনীর লক্ষ্য হলো পুরাতন শহর ও জেরুসালেমের বাসিন্দাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা।”

৫৭ বছর বয়সী নারী বাসিমা জাইদান জানান, গত শুক্রবার তিনি জেরুসালেমের পার্শ্ববর্তী রাস আল-আমুদ থেকে আল আকসায় জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য যান। তবে সেখানে ৩০ মিনিট অপেক্ষার পরেও ইসরাইলি পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে ফিরিয়ে দেন।

প্রসঙ্গত, গাজ্জায় বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আল আকসায় প্রবেশের উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দখলদার বাহিনী। শুধুমাত্র জেরুসালেমের বাসিন্দারাই প্রবেশ করতে পারবেন আল আকসায়। এছাড়াও মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট

তবে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের দাবি, ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা আল আকসায় প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। কারণ মসজিদটি দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে তাদের জন্য একটি সংগ্রামের প্রতীক।

৫৭ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি নারী জাইদান বলেন, “আমার দেহের রক্ত ও প্রাণ আল আকসার জন্য উৎসর্গ হোক।”

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ