নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, গাইবান্ধা উপনির্বাচনের ঘটনায় কমিশন কারো কাছে আত্মসমর্পণ করেনি।
তিনি বলেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে পুরো নির্বাচনব্যবস্থা ভেঙে পড়েনি। নির্বাচন কমিশন ৩০০ আসনে ভোট করতে প্রস্তুত। এ জন্য সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কতিপয় রাজনৈতিক দলের মধ্যে ইভিএম নিয়ে অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তবে ইভিএম নিয়ে অনাস্থা আনার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে ইসি সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা এ কে এম গালিভ খান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং রাজশাহী রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ইভিএম দিয়ে পরীক্ষামূলক মক ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আর পহেলা ফেব্রুয়ারি এ দুই আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট) আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৫ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১ হাজার ১৭০ জন ও নারী ২ লাখ ৪ হাজার ২৮০ জন। ১৮০টি ভোট কেন্দ্রের ১ হাজার ২৩০টি ভোটকক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৮৮৩ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ৬১২ জন। এই আসনে ১৭২টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ২৪০টি ভোটকক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা।











