spot_img
spot_img

পূজায় নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে উদারতার নামে এতে অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: মুফতী আব্দুল মালেক

দেশে বসবাসরত অমুসলিমদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলেও কোনো মুসলমান পূজায় অংশ নিলে কিংবা পূজাকে সঠিক মনে করলে তার ঈমান থাকবে না বলে জানিয়েছেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতী আব্দুল মালেক।

তিনি বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। এই শিরক থেকে মানবজাতিকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সমস্ত নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার বয়ানে তিনি এসব কথা বলেন।

খতীব আব্দুল মালেক বলেন, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো তাওহীদ এবং একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা চাইলে তাওহীদে বিশ্বাসীদের অন্যান্য গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন, কিন্তু শিরকের মতো মহাপাপ তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না। এই শিরক থেকে মানবজাতিকে বিরত রেখে তাওহীদের ছায়াতলে আনতেই আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে সমস্ত নবী ও রাসূলকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।

অমুসলিমদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ নিজ পরিসরে ধর্ম পালন করার অধিকার রয়েছে এবং এতে ইসলামের কোনো আপত্তি নেই। তারা যেন নিরাপদে তাদের পূজা বা উৎসব পালন করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও জরুরি দায়িত্ব।

আকিদাগত অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি সতর্ক করেন, কোনো মুসলমান যদি উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হয় কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বা সমর্থন করে, তবে তার ঈমান থাকবে না। নিরাপত্তা দেওয়া এবং আকিদাগতভাবে শিরককে সমর্থন করা এক বিষয় নয়।

বয়ানে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ক্ষমার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুফতী আব্দুল মালেক বলেন, তায়েফের ময়দানে চরম নির্যাতন ও রক্তাক্ত হওয়ার পরও মহানবী (সা.) জালিমদের ধ্বংস চাননি। তিনি তাদের নিরাপত্তা দিয়েছিলেন এই আশায় যে, তারা ঈমান না আনলেও হয়তো তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং শিরক থেকে মুক্ত থাকবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ