স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নিজস্ব জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার রক্ষা ও বাংলাদেশের পরিবেশগত দিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন জরুরি।
সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে সাবকমিটি অন মুসলিম কমিউনিটিজ অ্যান্ড মাইনরিটিজ অব দ্য পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন অব দ্য ওআইসি মেম্বার স্টেটস (পিইউআইসি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রফেসর ড. ওরহান আটালের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন, পিইউআইসি সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মাদ খৌরাইচি নিয়াজ, ইরানের সংসদ সদস্য আবুল ফজল আমই, উগান্ডার সংসদ সদস্য বাসির লুবেগা সেম্পা, পিইউআইসি ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল আলী আজগার মুহাম্মাদি সিজানি, এক্সপার্ট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আমীর আব্বাস ঘাসেমপুর, লেজিসলেটিভ এক্সপার্ট রেজাক তাভলি, সেক্রেটারি অব ডেলিগেশন মুসতাফা ফাতিহ বায়দার ও ডিরেক্টর অব পিইউআইসি জাহিদ হাসান কুরাইশী।
এ সময় স্পিকার বলেন, ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন শুরু হলে দফায় দফায় বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দেন। আয়তনে ক্ষুদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ার পরেও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কক্সবাজারে আশ্রয় দেন তিনি। এরপর থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব সহায়তায় তাদের খাদ্য, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য নিরাপত্তাসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সরকার নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করেছে।
প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন বলেন, পিইউআইসি প্রতিনিধিদলের এই সফরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা উৎসাহ পাবে। আর প্রতিনিধিদলের রিপোর্ট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।











