পবিত্র মাহে রমজানের শেষ শুক্রবার আজ। মুসলিম বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে মর্যাদাপূর্ণ এ দিনটি ‘জুমাতুল বিদা’ নামে পরিচিত। রমজানের শেষ জুমা হওয়ায় দিনটি মুসলমানদের কাছে আলাদা গুরুত্ব, আবেগ ও তাৎপর্য বহন করে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) জুমার নামাজ শেষে দেশজুড়ে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিরা আল্লাহর দরবারে ক্ষমা, রহমত ও বরকত প্রার্থনা করবেন। একই সঙ্গে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
রমজান এমনিতেই সীমাহীন ফজিলত, আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়ার মাস। আর এ মাসের শেষ শুক্রবার হওয়ায় জুমাতুল বিদা মুসলমানদের হৃদয়ে বিশেষ আবেদন তৈরি করে। অনেক মুসল্লির বিশ্বাস, আগামী বছরে আরেকটি রমজানের জুমা পাওয়ার সৌভাগ্য হবে কি না, তা কেউ জানে না। এই অনুভূতি থেকেই রমজানের শেষ জুমাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তারা।
জুমাতুল বিদায় সাধারণত মসজিদগুলোতে অন্য দিনের তুলনায় মুসল্লিদের উপস্থিতিও বেশি দেখা যায়। ধর্মপ্রাণ মানুষ এ দিনে বেশি বেশি দরুদ, জিকির, দোয়া ও নফল ইবাদতে মনোযোগী হন। রমজানের বিদায়ী আবহে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং গুনাহ মাফের আশায় তারা বিনম্রচিত্তে প্রার্থনায় রত থাকেন।
নানা কারণেই মুসলমানদের কাছে জুমাতুল বিদার তাৎপর্য অনেক গভীর। এটি একদিকে যেমন রমজানের বিদায়ী বার্তা বহন করে, অন্যদিকে তেমনি ইবাদত, আত্মসমালোচনা, তাওবা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে ওঠে। কার্যত জুমাতুল বিদার মধ্য দিয়েই ফজিলতময় রমজানকে বিদায় জানানোর মানসিক প্রস্তুতি নেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।










