spot_img

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলকে ভোট দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের এমপি

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে তিনি এই ভোট প্রদান করেন।

ইসলামী আন্দোলন শুরুতে এই নির্বাচনে ভোট দান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে দলীয় আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) বিশেষ সিদ্ধান্তে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এমপি অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) ওলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬ জন সংসদ সদস্য। ভোট দেননি বিএনপির তিন এমপি— ঢাকা-৮ আসনের মির্জা আব্বাস, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক এবং চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা। এ ছাড়া ভোট দিতে আসেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

বিরোধী জোটের শরিকদের মধ্যে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম এবং বিরোধী জোটের এমপি সিলেট-৫ আসনের মোহাম্মদ আবুল হাসান অনুপস্থিত ছিলেন। খেলাফত মজলিসের এমপি আবুল হাসান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। খেলাফত মজলিস সংসদে জামায়াতের সাথে থাকলেও ১১-দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। ফলে বিরোধী জোটের ৯০ জন এমপির মধ্যে ৮৮ জনের ভোট পেয়েছেন কর্নেল অলি।

অন্যদিকে, সংসদে বিএনপির এমপির সংখ্যা ২৪৭। তাঁদের মধ্যে ২৪৪ জন মির্জা ফখরুলকে ভোট দিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বাদে বাকি ৭ জন স্বতন্ত্র এমপির ভোট পেয়েছেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন ছাড়া বিএনপি জোটের শরিক বিজেপি, গণ-অধিকার পরিষদ এবং গণসংহতি আন্দোলনের তিন এমপির ভোটও পেয়েছেন মির্জা ফখরুল।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ব্যালটে ভোট দিতে হয়, ফলে কে কাকে ভোট দিয়েছেন তা জনসমক্ষে জানা যায়।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ