খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, দেশে খাদ্য ঘাটতি হবে না, দুর্ভিক্ষও হবে না। আমরা সচেতন আছি, দেশে পর্যাপ্ত ধান-চালের মজুদ রয়েছে। কেউ অবৈধ মজুদ করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বায়োফর্টিফাইড জিঙ্ক রাইসের মাধ্যমে দেশের মানুষের জিঙ্কের ঘাটতি পূরণ সম্ভব। তবে অধিকাংশ মানুষ এ সম্পর্কে বা এর গুণাগুণ সম্পর্কে মোটেই সচেতন নয় এবং তারা এই জিঙ্কসমৃদ্ধ চাল বা ধান সম্পর্কে জানেও না। এ সময় তিনি পুষ্টিহীনতা দূর করতে জিঙ্কসমৃদ্ধ ধানের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আজকাল আমরা রাসায়নিক ফর্মুলায় তৈরি করা জিঙ্ক খাচ্ছি, কিন্তু ভাতের মাধ্যমে যে এই উপাদানটি আমরা প্রাকৃতিকভাবে পেতে পারি তা জানি না। এই বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা দরকার।
তিনি বলেন, সাধারণ চালেও পুষ্টি থাকে, তবে চাল চিকন করতে গিয়ে পুষ্টির অংশ ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। সারা দেশে বছরে চার কোটি টন ধান ক্রাসিং হয়। মিলাররা বলেন, চাল চিকন করতে গিয়ে ৪-৫ শতাংশ হাওয়া হয়ে যায়। সে হিসেবে বছরে ১৬ লাখ টন চাল হাওয়া হয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। এটা না করলে বিদেশ থেকে হয়তো চাল আমদানি করতে হতো না।











