পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচর স্থানান্তর ইস্যুর সমাধান হয়ে গেছে। এটা এখন আর কোনো ইস্যু নয়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘসহ অন্য রাষ্ট্রের যতটুকু করার আছে তারা এখনো করেনি। তবে তাদের বিষয়ে উপসংহারে আসার মতোও এখনো অবস্থা আসেনি।
বুধবার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা সংকট: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাড়াদান ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ভাসানচর পরিদর্শন করেছেন। মতভেদ হওয়ার মতো কোনো বিষয় তারা পাননি। তবে জাতিসংঘের কিছু ছোটখাটো সুপারিশ রয়েছে। আমরা আশা করছি, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মতোই তারা এখানে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসবে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা অনেক বন্ধু রাষ্ট্রের প্রতি সন্তুষ্ট, আবার অনেক বন্ধু রাষ্ট্রের অবদান ও অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারছি না। আবার অনেকের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ভূমিকা না রেখে এখানে কীভাবে রাখা যায়, সেই চেষ্টা ছিল। এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সিভিল সোসাইটিকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যার জন্যই ভারতের সিভিল সোসাইটি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের সিভিল সোসাইটি সরব হলে ভারত সরকার ভূমিকা নিতে বাধ্য হবে। একইভাবে জাপানের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য।
তিনি বলেন, অনেক দেশ রোহিঙ্গা শব্দ ব্যবহার করে না। তারা বলে স্থানচ্যুত। বাংলাদেশকে এ বিষয়ে ভূমিকা নিতে হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, মিয়ানমার সংকট দ্রুত সমাধান না করতে পারলে এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার আশংকা রয়েছে। এই সংকট সমাধানে সবার সমান দায়িত্ব রয়েছে।











