বুধবার | ১৪ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

বাইডেনের অপবাদের জবাবে যা বললেন এরদোগান

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্বৈরাচারী বলে অপবাদ দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলেছেন তুরস্কের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দলের প্রধান রজব তাইয়েব এরদোগান।

শুক্রবার (১৯ মে) এক সাক্ষাতকারে এবিষয়ে কথা বলেন তিনি।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণাকালীন এরদোগানকে কেনো স্বৈরাচার ও একনায়ক আখ্যায়িত করলেন এর পেছনে কি কারণ থাকতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এরদোগান বলেন, “সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ২য় রাউন্ডে চলে আসার পরেও কাউকে কীভাবে স্বৈরাচার বলা যেতে পারে? অথচ এর আগেও নির্বাচিত হয়েই আমরা ক্ষমতায় এসেছি!”

“পিপলস অ্যালায়েন্স জোট ৩২২ জন ডেপুটি নিয়ে পার্লামেন্ট গঠন করতে যাচ্ছে আর জোটের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি চূড়ান্ত প্রেসিডেন্ট নির্ধারণী ২য় রাউন্ডের নির্বাচনে বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার অপেক্ষায় আছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করতে চাই, এটি কী ধরণের একনায়কত্ব? এ কেমন স্বৈরাচার?”

জানা যায়, সম্প্রতি ভৌগলিকভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ৬০০ আসনের মধ্যে এরদোগানের নেতৃত্বাধীন জোট পিপলস অ্যালায়েন্স ৩২৩টি আসন পেয়ে পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়। এতে এরদোগানের দল একে পার্টি একাই ২৬৭টি আসনে বিজয় লাভ করে। অপরদিকে কট্টর সেক্যুলারবাদী কামাল কিলিচদার ওগলুর নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোট ন্যাশনাল এলায়েন্স মাত্র ২১১টি আসন অর্জন করতে সক্ষম হয়।

আর প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও তুরস্কের জনপ্রিয় নেতা রজব তাইয়েব এরদোগানের পক্ষে ভোট আসে ৪৯.৫১ শতাংশ। আর কট্টর সেক্যুলারবাদী নেতা কামাল কিলিচদার ওগলুর পক্ষে আসে ৪৪.৮৮ শতাংশ ভোট। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ব্যক্তি ড.সিনান ওগান পান ৫.১৭ শতাংশ ভোট।

পার্লামেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে গেলেও নির্বাচনী আইন অনুপাতে যেহেতু এরদোগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫০ শতাংশ ভোটে এগিয়ে থাকতে পারেননি তাই তাকে আগামী রবিবার (২৮ মে) প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ২য় রাউন্ড বা রান অফ রাউন্ড পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ