spot_img
spot_img

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট রোববার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।

রামিসার বাসা থেকে বের হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আগামী রোববার এ হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। মা, বাবা এবং তার বড় বোন উপস্থিত ছিলেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন। আমরা আশ্বস্ত করেছি, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট দ্রুততার সঙ্গে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামি ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী করেছে। ​এখন চার্জশিট দেওয়ার পালা। চার্জশিট দেওয়ার আগে ডিএনএ টেস্টটা করতে হবে। ডিএনএ টেস্টের জন্য আমাদের সিআইডি ল্যাবে অলরেডি আদালতের অনুমতি নিয়ে চেষ্টা চলছে। ডিএনএ টেস্টের নিয়ম হচ্ছে যে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে, যেহেতু এটা বৈজ্ঞানিক বিষয়। সেটা শেষ হবে রোববারের দুপুরের মধ্যে। আমরা রোববারের মধ্যে ইনশাআল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারব এবং তারপর অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বিচার কার্য নিষ্পন্ন হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করব, যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রামিসার বড় বোন—তার জীবনের সব পড়াশোনার খরচ এবং তার অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় সবকিছু উনি বহন করবেন। এবং রামিসার মা-বাবা এবং রামিসার বড় বোনের জন্য একটা আশ্রয়স্থল—তারা নিরাপত্তা চেয়েছেন, সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন।

তিনি বলেন, ​আমরা এরকম জঘন্যতম অপরাধে, শিশু ধর্ষণ অথবা শুধুমাত্র শিশু ধর্ষণ যাই হোক, এই সমস্ত অপরাধের ক্ষেত্রে যাতে খুব দ্রুততার সাথে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ে চার্জশিট দেওয়া যায় এবং বিচারকার্য সম্পন্ন করা যায়—সেজন্য যদি আইনে আরো কিছু পরিবর্তন আনতে হয়, সে বিষয়ে আইনমন্ত্রী এখানে আছেন, তিনি আজকে কথা দিয়েছেন। ক্যাবিনেট মিটিংয়েও আমাদের এটা আলোচনা হয়েছে। তিনি সেই বিষয়ে আইনি সংস্কারও সাধন করবেন।

তিনি আরও বলেন, যেখানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের দরকার সেটা আমরা করব। এইভাবে আমরা দেশে এরকম জঘন্যতম অপরাধ যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, পরিবার চেয়েছে সুষ্ঠু ন্যায়বিচার, দ্রুততম সময়ের মধ্যে—সেটা পরিবারের এক নম্বর চাওয়া এবং সেটাই স্বাভাবিক। তারপরে তার যে অন্য কন্যা সন্তান আছে, সে যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে, উন্নত জীবন পায়—সেজন্য সহায়তা চেয়েছেন। সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন। গ্রেফতার এবং আমাদের আইনি পদক্ষেপ গুলোতে এখন পর্যন্ত তারা সন্তুষ্ট।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ