spot_img
spot_img

গাজ্জায় দুর্ভিক্ষ ঘোষণা জাতিসংঘের

জাতিসংঘ সমর্থিত জাতিসংঘের বৈশ্বিক ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা আইপিসি জানিয়েছে, গাজ্জা সিটি ও এর আশেপাশের এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। আইপিসি খাদ্য সংকটের সর্বোচ্চ ধাপ অর্থাৎ ‘পঞ্চম ধাপে’ গাজ্জা সিটিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মানে হলো, স্থানীয় লোকজন বর্তমানে চরম অনাহার ও দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছেন, এমনকি খাওয়ার মতো কিছুই পাচ্ছেন না।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই ঘোষণা দেয় সংস্থাটি।

আইপিসির প্রতিবেদনে গাজ্জায় দুর্ভিক্ষের চারটি মূল কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ ছয় লাখ ৪১ হাজার ফিলিস্তিনি পঞ্চম ধাপ বা বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সম্মুখীন হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইসরাইলের অণবরত আগ্রাসনের ফলে ৬২ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। আহত হয়েছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ফিলিস্তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ১৯ লাখ মানুষ অর্থাৎ জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যার ফলে বেশিরভাগ পরিবার অনিরাপদ, জনাকীর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে এবং অন্যরা খোলা আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৭ জুলাই ঘোষিত তথাকথিত ‘কৌশলগত যুদ্ধবিরতি’ পরিস্থিতির উন্নতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ পুরো উপত্যকায় বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ এবং গুলিবর্ষণসহ সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

পরিশেষে প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজ্জায় ‘খাদ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে’। যেখানে ৯৮ শতাংশের বেশি ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথবা দুর্গম হয়ে পড়েছে, গবাদি পশু ধ্বংস হয়ে গেছে, মাছ ধরা নিষিদ্ধ, নগদ অর্থের অভাব এবং দ্রব্য মূল্য নাগালের বাইরে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ